1. press.sadique@gmail.com : Polash Hasan : Polash Hasan
  2. admin@newsdotbd.com : superman :
শ্যালকের টাকায় দুলাভাই, দুলাভাইয়ের টাকায় শ্যালকের নির্বাচন! - NewsDotBD
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন

শ্যালকের টাকায় দুলাভাই, দুলাভাইয়ের টাকায় শ্যালকের নির্বাচন!

  • প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনে প্রার্থীদের হলফনামায় উঠে এসেছে পারিবারিক অর্থনির্ভর নির্বাচনি প্রচারণার চিত্র। শ্যালকের কাছ থেকে ধার নেওয়া টাকায় নির্বাচনে নেমেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিক্সা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ফজলুর রহমান। অপরদিকে, বোন জামাইয়ের দেওয়া অর্থে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন বাসদ (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা শাখার আহ্বায়ক এ কে এম আরিফুল হাসান।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ফজলুর রহমান গৌরীপুর পৌর শহরের ভালুকা মহল্লার বাসিন্দা ও জিনত আলীর পুত্র। রিক্সা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামা এ প্রার্থীর নিজস্ব ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকা। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার ও কর্জ বাবদ প্রাপ্য সম্ভাব্য অর্থের মধ্যে রয়েছে তারাকান্দা উপজেলার শ্যালক মাসুদ রানার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং আরেক শ্যালক সাইদুল ইসলামের কাছ থেকে আরও ৫ লাখ টাকা। এছাড়া আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা, আবুল হাসেমের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং লাল মিয়ার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে হলফনামায়।

সম্পদের হিসাবে মো. ফজলুর রহমানের রয়েছে ২৪ শতাংশ বসতভিটা, ১.২০ একর চাষযোগ্য জমি মূল্য আনুমানিক ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এছাড়াও দৌলতপুরে একটি হাফ বিল্ডিং ও একটি ছাদ দেওয়া ভবন রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৭ লাখ টাকা। তবে তার নামে কোনো ব্যাংক আমানত নেই।

অপরদিকে বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী এ কে এম আরিফুল হাসান হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তিনি বোন জামাই অর্থাৎ দুলাভাইয়ের দেওয়া অর্থে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন। তার কেন্দুয়ার দুলাভাই দেলোয়ার হোসেন দিয়েছেন ৩০ হাজার টাকা।

তার সর্বোচ্চ আয়ের খাত নিজস্ব টিউশনি, যেখান থেকে বছরে আয় ১ লাখ টাকা। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত দান হিসেবে তিনি পেয়েছেন—গঙ্গাগ্রামের এনামুল হাসানের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা, গফরগাঁওয়ের খালা খাদিজা আক্তারের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা, আকুয়ার আরেক দুলাভাই রাসেলের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং মামা কার্জনের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা।

এছাড়া আত্মীয় ব্যতীত অন্যান্য ব্যক্তির কাছ থেকে দান হিসেবে তিনি পেয়েছেন—খাগডহরের ইমরান হোসেন ১০ হাজার, শিববাড়ির প্রভাত দাস ১০ হাজার, টাঙ্গাইলের অসীম ভৌমিক ২০ হাজার, কৃষ্টপুরের তুহিন ১০ হাজার, কিশোরগঞ্জের জেনাস ভৌমিক ১৫ হাজার এবং জামালপুরের রাকিবুল রোমান ৫ হাজার টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী, এ কে এম আরিফুল হাসানের কোনো গৃহ সম্পত্তি বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি নেই। তার অন্যান্য সম্পদের মধ্যে ব্যাংক আমানত ও সিকিউরিটি বন্ড মিলিয়ে রয়েছে মাত্র ৭০৯ টাকা। তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং ব্যয় দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

এদিকে নির্বাচনী মাঠে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত আহ্বায়ক, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুজ্জামান।

এ জাতীয় আরো খবর..

Copyright © 2025, newsdotbd.com

Developed By POPCORN IT