1. press.sadique@gmail.com : Polash Hasan : Polash Hasan
  2. admin@newsdotbd.com : superman :
ইরানের তেল ও খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান ট্রাম্প - NewsDotBD
October 28, 2026, 11:21 pm

ইরানের তেল ও খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান ট্রাম্প

  • Update Time : Monday, March 30, 2026
  • 105 Time View

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। সেই সঙ্গে ইরানের খারগ দ্বীপের রপ্তানি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণও চায় ওয়াশিংটন।

ফিনান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে একথা বলেন ট্রাম্প।

সাক্ষাৎকারে একে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে তুলনা করেছেন ট্রাম্প। দেশটির রাজধানী কারাকাসে গত জানুয়ারিতে সামরিক অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী।

ওই সময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে স্ত্রীসহ তুলে এনে নিউইয়র্কে আটক রাখা হয়েছে। এরপর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে থাকা ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের ইচ্ছার কথা জানিয়ে আসছে ওয়াশিংটন।

ফিনান্সিয়াল টাইমসকে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে কিছু বোকা লোক বলছে, “আপনি এটা কেন করছেন?” ওরা আসলেই বোকা।’

‘হয়তো আমরা খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেব, কিংবা হয়তো নেব না। আমাদের হাতে অনেকগুলো বিকল্প আছে’—বলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে (খারগ দ্বীপ) আমাদের কিছুদিন অবস্থান করতে হতে পারে।’

খারগ দ্বীপে থাকা ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প চটজলদি বলেন, ‘আমার মনে হয় না তাদের (ইরান) কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আছে। আমরা খুব সহজে এটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারি।’

উল্লেখ্য, ইরান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানর খনিগুলোতে মজুত তেলের পরিমাণ কমপক্ষে ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১১.৮২%। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ।

ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং এর সিংহভাগ (প্রায় ৯০%) তেল চীনে রপ্তানি করা হয়।

ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড খারগ দ্বীপ

বুশেহর বন্দর থেকে ৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই দ্বীপ ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে হয়। বছরে প্রায় ৯৫ কোটি ব্যারেল তেল এখান থেকে বিদেশে যায়।

দ্বীপটির চারপাশের গভীর পানি জ্বালানি তেলের বিশাল জাহাজগুলো নোঙর করার জন্য এক প্রাকৃতিক আশীর্বাদ। এখান থেকেই প্রধানত এশিয়ার বাজারে, বিশেষ করে চীনে তেল রপ্তানি করা হয়। ইরানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের মতে, তিনটি প্রধান তেলক্ষেত্র—আবোজার, ফোরুজান ও দোরুদ থেকে তেল এখানে আসে এবং প্রক্রিয়াজাত হয়ে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান এই দ্বীপের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন দুটি বিশাল ট্যাংক সংস্কারের মাধ্যমে এর ধারণক্ষমতা আরও ২০ লাখ ব্যারেল বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে ইরানের দৈনিক রপ্তানি ১৬ লাখ ব্যারেলের আশপাশে হলেও এই টার্মিনালের সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিনে ৭০ লাখ ব্যারেল।

সূত্র: আল–জাজিরা ও বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Developed By POPCORN IT