1. press.sadique@gmail.com : Polash Hasan : Polash Hasan
  2. admin@newsdotbd.com : superman :
জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা তুলে নিল সরকার - NewsDotBD
October 28, 2026, 8:31 pm

জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা তুলে নিল সরকার

  • Update Time : Sunday, March 15, 2026
  • 107 Time View

রবিবার সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেন

দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে আজ থেকে কোনো রেশনিং থাকছে না। ফিলিং স্টেশন থেকে চাহিদামতো পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল কিনতে পারবেন ভোক্তারা।

রবিবার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, “জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। তাই আজ থেকে তেল বিক্রিতে আর কোনো সীমা থাকছে না।”

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে। অনেকেই সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় বেশি তেল কিনতে শুরু করেন। এতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা দেয় এবং সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হয়।

এই পরিস্থিতি সামাল দিতে গত ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করে সরকার। শুরুতে মোটরসাইকেলে দুই লিটার করে তেল বিক্রি করা হচ্ছিল। পরে রাইড শেয়ার মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে সীমা বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয়। পাশাপাশি ফিলিং স্টেশনগুলোতে সরবরাহও কিছুটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনায় ১১ মার্চ থেকে বিভাগীয় শহরগুলোর ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়। তবে তবুও বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি পেতে ভোগান্তি দেখা দেয়। ফিলিং স্টেশন মালিকেরাও চাহিদামতো তেল সরবরাহের দাবি জানান।

বিপিসি জানায়, দেশে বর্তমানে প্রায় দুই লাখ টন ডিজেল মজুত রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেলও রয়েছে। এছাড়া, পেট্রোল ও অকটেনের মজুত রয়েছে প্রায় ১৬ হাজার টন করে।

দেশীয় উৎস থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ টন পেট্রোল ও অকটেন উৎপাদন হচ্ছে। আর দৈনিক চাহিদা প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টন।

কর্মকর্তারা বলছেন, মার্চ মাসে জ্বালানি তেলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। তবে কেউ যদি স্বাভাবিক চাহিদার বাইরে অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করতে শুরু করেন, তাহলে বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, আগামী জুন পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার চুক্তি করা আছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে সমস্যা হলে কিছু ক্ষেত্রে সরবরাহকারীরা চুক্তি অনুযায়ী তেল দিতে ব্যর্থ হতে পারে। সে জন্য বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।

এরই অংশ হিসেবে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সরবরাহের জন্য ভারতের কাছেও এরইমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Developed By POPCORN IT