1. press.sadique@gmail.com : Polash Hasan : Polash Hasan
  2. admin@newsdotbd.com : superman :
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প - NewsDotBD
October 29, 2026, 7:01 am

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্ক বসালেন ট্রাম্প

  • Update Time : Sunday, January 18, 2026
  • 137 Time View

গ্রিনল্যান্ড দখলে নেওয়ার বিরোধিতা করায় যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের আট দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রিনল্যান্ডকে ‘সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে কেনার’ একটি চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই শুল্ক বহাল থাকবে।

আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন এ শুল্ক কার্যকর হবে। স্থানীয় সময় শনিবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’–এ দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে। আর আগামী ১ জুন থেকে এই হার বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।

ট্রাম্প বলেন, কয়েক শতাব্দী পর এখন (গ্রিনল্যান্ড) ফেরত দেওয়ার সময় এসেছে ডেনমার্কের। বিশ্ব শান্তি ঝুঁকির মুখে! চীন গ্রিনল্যান্ড নিতে চায়, কিন্তু ডেনমার্ক এ বিষয়ে কিছুই করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড ‘অজ্ঞাত উদ্দেশ্যে গ্রিনল্যান্ডে গেছে’। তারা ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি খেলা’ খেলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সম্ভাব্য বিপজ্জনক পরিস্থিতির দ্রুত এবং কোনো প্রশ্ন ছাড়াই অবসান ঘটাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এর আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনো দেশ তাঁর অবস্থানের সঙ্গে একমত না হলে তিনি তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড খুব জরুরি।

গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা কম হলেও দ্বীপটি প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মধ্যে এর অবস্থান হওয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে প্রাথমিক সতর্কীকরণ ব্যবস্থা স্থাপনে এবং ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারি করতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ—এর আয়তন জার্মানির ছয় গুণ। এটি আর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত, তবে এটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড।

জনসংখ্যা খুব কম হলেও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি অবস্থান এটিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষেত্রে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থার জন্য এবং ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নজরদারির জন্য গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত পিটুফিক ঘাঁটিতে শতাধিক সামরিক সদস্য স্থায়ীভাবে মোতায়েন রেখেছে—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এ ক্ষেপণাস্ত্র নজরদারি কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে।

ট্রাম্পের দাবি, সম্ভাব্য রুশ বা চীনা হামলার বিরুদ্ধে সঠিকভাবে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের ‘গ্রিনল্যান্ডের মালিক হওয়া’ প্রয়োজন।

এদিকে, ইউরোপীয় মিত্ররা ডেনমার্কের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে। তারা বলেছে, আর্কটিক অঞ্চল তাদের কাছেও সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং এর নিরাপত্তা যৌথ ন্যাটো দায়িত্বের মধ্যে পড়ে—যেখানে যুক্তরাষ্ট্রও অন্তর্ভুক্ত। এ লক্ষ্য পূরণের জন্য ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ তথাকথিত এক নজরদারি মিশনের অংশ হিসেবে অল্পসংখ্যক সেনা গ্রিনল্যান্ডে পাঠিয়েছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, অল্প সময়ের মধ্যেই ‘স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—সব ধরনের সম্পদ’ পাঠানো হবে।

সূত্র : বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Developed By POPCORN IT